অবলোক

হিলি স্থলবন্দরে দ্বিতীয় দিনও আমদানি-রফতানি বন্ধ, কারণ কী?

পড়তে ৫ মিনিট
হিলি স্থলবন্দরে দ্বিতীয় দিনও আমদানি-রফতানি বন্ধ, কারণ কী?

ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে। ফলে সোমবার (৩১ আগস্ট) হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার ট্রাক প্রতি মালামাল পরিবহনের ওজন নির্ধারণ করে দেয়ায় এই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।

ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে। ফলে সোমবার (৩১ আগস্ট) হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার ট্রাক প্রতি মালামাল পরিবহনের ওজন নির্ধারণ করে দেয়ায় এই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।

তবে সকাল থেকে পানামা হিলি পোর্টের অভ্যন্তরে ট্রাকে পণ্য ওঠানামা ও ছাড় করণের কাজ অন্যান্য দিনের মতো স্বাভাবিকভাবে চলছে বলে জানান পানামা পোর্ট কর্তৃপক্ষ।

বাংলা হিলি সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান বলেন, ‘ভারত হিলি এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সঙ্গে কথা হয়েছে; ভারতীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের সবকটি স্থলবন্দরে যে নিয়মে পণ্য পরিবহন হচ্ছে হিলি বন্দরেও সেই একই নিয়ম কার্যকর করতে হবে। তাদের এই দাবি না মানা পর্যন্ত এই ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।’

এ দিকে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকায় বেকায়দায় পড়েছে দেশের ব্যবসায়ীরা। সীমান্তের ওপারে আটকা পড়ে আমদানিকৃত পণ্যবোঝাই ট্রাক। ট্রাকেবোঝাই করা মালামাল নষ্ট হয়ে ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।

হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ভারতের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর জাকারিয়া বলেন, ‘ভারত-বাংলাদেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্ট যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে।’

জানা যায়, সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে ট্রাক প্রতি ১০ থেকে ১৫ মেট্রিক টন ওজন কমিয়ে ৬ চাকার ট্রাকে ২০ টন এবং ১০ চাকার ট্রাকে সর্বোচ্চ ৩০ মেট্রিক টন পণ্য পরিবহনের সীমা নির্ধারণ করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে পণ্য পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ক্ষতির আশঙ্কায় রোববার থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেন ভারতের ব্যবসায়ীরা।