কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি ও তীব্র বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের কারণে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর (শনিবার) থেকে সব ধরনের বেকারি পণ্যের দাম ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্রেড, বিস্কুট অ্যান্ড কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতি।
সংগঠনটি বলছে- কাঁচামালের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি ও বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের কারণে চরম ক্ষতির মুখে এ খাতের উদ্যোক্তারা। তাই ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন তারা।
একজন বেকারি ব্যবসায়ীরা জানান, ভোরের আলো ফোটার আগেই যেসব বেকারিতে কর্মব্যস্ততা শুরু হতো, পাউরুটি, কেক ও বিস্কুট উৎপাদনকারী সেসব প্রতিষ্ঠানের বড় একটি অংশ এখন দিনের দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকছে। ভোজ্যতেল, আটা, ময়দা ও চিনির মতো প্রধান চারটি কাঁচামালের দর বৃদ্ধির পাশাপাশি যোগ হয়েছে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকট। ফলে কারখানা চালু রাখা, কর্মীদের বেতন-ভাতা দেয়া এবং লোকসান সামলে টিকে থাকাটাই এখন এ খাতের উদ্যোক্তাদের, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একজন বেকারি দোকানদার বলেন, এক মাসের ব্যবধানে বাজারে খোলা ও প্যাকেজটজাত চিনির দাম কেজিতে প্রায় ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে। এছাড়া আটা-ময়দার দামও কেজিতে প্রায় ১০ থেকে ২০ টাকা বাড়তি। এমন অবস্থায় আগামী ১২ সেপ্টেম্বর (শনিবার) থেকে সব ধরনের বেকারি পণ্যের দাম ২০ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্রেড, বিস্কুট & কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতি।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্রেড, বিস্কুট অ্যান্ড কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, কাঁচামালের দাম বৃদ্ধির কারণে বেকারি পণ্যের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। ফলে আগের দামে পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। ফলে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বাড়তি দামে মাল দেব। সরকার যদি আমাদের সহযোগিতা না করে তাহলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পথে বসে যাবে।







